Welcome To জছির উদ্দিন বিদ্যা নিকেতন

অধ্যক্ষের কথা

শিশুদের জীবন বিচিত্র সম্ভাবনায় পরিপূর্ণ। তাদের কর্ম সাধনার মধ্যেই আগামী দিনের পরিপূর্ণ সফলতা নির্ভর করে। শিক্ষা প্রদান ও গ্রহণের পবিত্র ও উজ্জ্বল প্রেক্ষাপটেই সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব। একজন সচেতন অভিভাবক সু-শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে তার এ পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে পারেন। 

শিক্ষার্থীদের সার্বিকভাবে গড়ে ওঠা ও জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গুরুত্বপূর্ণ স্তরটি সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হওয়ার নিমিত্তে একজন শিক্ষার্থীর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সঠিক ও সুপরিকল্পিত দিক নির্দেশনা। গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার একঘেয়েমি ও ত্রুটি বিচ্যুতিকে বর্জন করে একটি বাস্তবমূখী বিজ্ঞান সম্মত ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা পদ্ধতি ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কর্ম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্য রূপায়ন করতে পারে । আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সুষ্ঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, সকল ছাত্র-ছাত্রীকে উত্তরোত্তর সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে। কোমলতি শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে অত্র এলাকাবাসীর সক্রিয় প্রচেষ্টায় ১৯৮৭ খ্রিঃ এ বিদ্যা নিকেতনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। অভিজ্ঞ শিক্ষক ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষীয় ব্যক্তিদের সুষ্ঠ তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্ব নিয়োজিত। এ প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের অন্যতম শিক্ষা নিকেতন হিসেবে গড়ে তোলার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পরিচালনা পরিষদ অঙ্গীকারাবদ্ধ। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলের সহায় হোন।

 

      অধ্যক্ষ
মোঃ আব্দুল হাদী

Why Choose জছির উদ্দিন বিদ্যা নিকেতন?

স্কুলের বৈশিষ্ট্য 

০১. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জায়গায় সুবিশাল পরিপাটি ক্যাম্পাস। 
০২. যোগ্য পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত। 
০৩. অভিজ্ঞ, মেধাবী, দক্ষ ও নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকম-লী দ্বারা  
      প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত। 
০৪. মাল্টি মিডিয়া ক্লাসরুম ও নিজস্ব কম্পিউটার ল্যাব।
০৫. সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। 

০৬. প্রতিষ্ঠানটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, এর কোন ব্যবসায়িক  
      অভিপ্রায় নেই। 
০৭. মানবকল্যাণমূখী শিক্ষাদানের মাধ্যমে সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক গড়ে  
      তোলা এর প্রকৃত উদ্দেশ্য।
০৮. প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উপজেলায় সর্বোচ্চ অ+ সহ 
      প্রথম স্থান অধিকার। 
০৯. জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় উপজেলায় প্রথম স্থান   
      অধিকার। 
১০. এস.এস.সি পরীক্ষায় শতভাগ পাসসহ উপজেলায় সর্বোচ্চ অ+  
      প্রাপ্ত। 

 

বিশেষ সুবিধা

০১. কি-ার গার্টেন বৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত   
     অংশগ্রহণ। 
০২. প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার জন্য 
      বিশেষভাবে প্রস্তুতি দান। 
০৩. ইংরেজি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব আরোপ। 
০৪. লেখাপড়ায় দুর্বল ছাত্র-ছাত্রী চিহ্নিতকরণ এবং বিশেষ ব্যবস্থা 
      গ্রহণ। 
০৫. নার্সারি, কেজি ও প্রথম শ্রেণিতে শাখা এবং প্রতি শাখায় ৪০ জন 
      ছাত্র-ছাত্রী। 
০৬. পাঠ পরিকল্পনা ও পাঠটীকার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। 
০৭. সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং খেলাধুলা ও বিনোদনের 
      ব্যবস্থা। 

 

প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলা সম্পর্কে কতিপয় জ্ঞাতব্য বিষয়

(ক) প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়মিতভাবে যথাসময়ে 
      শিক্ষায়তনে উপস্থিত হতে হবে।
(খ) বিশেষ কোন কারণ, অসুবিধা, অসুস্থ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত 
     থাকা যাবে না। বিনা কারণে ছাত্র-ছাত্রী ১ (এক) মাস অনুপস্থিত   
     থাকলে তার নাম কেটে দেওয়া হবে। পুনভর্তি ও জরিমানাসহ  
      অন্যান্য প্রাপ্য ফী ও ভাতা প্রদান করতে হবে। অনুপস্থিতির কারণ 
      দর্শিয়ে অভিভাবকগণকে আবেদন করতে হবে।
(গ) প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে নির্ধারিত পোশাকে স্কুলে আসতে হবে। 
(ঘ) ছাত্র-ছাত্রীদিগকে নিয়মিতভাবে কুচকাওয়াজ, শরীর চর্চা, খেলাধুলা 
     এবং অন্যান্য সহপাঠ্যক্রমিক কার্যাবলীতে  অংশগ্রহণ করতে 
     হবে।
(ঙ) যথাসময়ে শিক্ষায়তনে উপস্থিত না হলে তাকে বিলম্বে উপস্থিত 
     বলে গণ্য করা হবে।

 

শিক্ষক  - অভিভাবক সমাবেশ

* বছরে কমপক্ষে ২ বার শিক্ষক - অভিভাবক সমাবেশ আয়োজন।
* প্রতিষ্ঠানের নানাবিধ বিষয়ে আন্তরিকতাপূর্ণ আলোচনা।
* ছাত্র - ছাত্রীদের পরীক্ষিত ভুল - ত্রুটি নিয়ে পর্যালোচনা এবং 
   প্রতিকার ও কর্মপন্থা নিরূপণ।
* ফলাফল সম্পর্কে পর্যালোচনা ও উন্নত কর্মপন্থা নিরূপণ।

 

বিশেষ সুবিধাসমূহ

একজন মেডিকেল অফিসার দ্বারা ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা পত্র প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। আকষ্মিক দূর্ঘটনা ও রোগাক্রান্ত ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা স্কুল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করা হয়। অবশ্য এ জন্য যাবতীয় খরচ অভিভাবক বহন করবেন।